Categories


দুর্জয়-৩ঃ অবাধ্য

দুরজয়ের অরিজন গল্প, কাহিনি তুমুল ক্লাইম্যাক্স থেকে হঠাতই যেন দম নিতে ঘুরে গেল কিছুটা পেছনে। নেভীর অবসরপ্রাপ্ত অফিসার সাইদুল হক নেহাকে দুর্জয়ের ইতিহাস বলা শুরু করেছেন, সমান্তরালে আবার চলছে ঢাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের সাথে দুর্জয়ের শিকার শিকারী খেলা। এদিকে এবারের গল্পে সাইদুল হক দুর্জয়কে নিয়ে গেছেন সেই ১৫ বছর আগে, ওয়ার্ল্ড কিকবক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচ এ।নেপালী লড়াকু ক্রিয়ান কাশাকু বনাম দুর্জয়। জমজমাট ম্যাচ- চলছে ধারা বর্ণোনা, আর এদিকে বর্তমানে চলছে নেহাকে মারা সুপারি জারি করা জামাই মিলনের কথা, কী হচ্ছে এবারে?


দুর্জয় -৬

কাহিনী সংক্ষেপঃ নেভীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল হক নেহাকে দুর্জয়ের কাহিনি বলছেন। ওদিকে সেই সময়ে জামাই মিলন নেহাকে খুন করানোর জন্যে টাকা দিয়ে এসেছে খুনীদের, আর তারপরেই আবার তাকে ধরে নিয়ে গেছে দুর্জয় স্বয়ং। এদিকে সাইদুল হকের জবানীতে দুর্জয় নামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কবির মনসুরের সাথে অবাক বিস্ময়ে পরিচিত হচ্ছে সবাই। ধীরে ধীরে যেন খুলে যাচ্ছে অনেক জট। টানটান উত্তেজনায় এগিয়ে চলা গল্প গিয়ে থামছে আবার সেই ভাড়াটে খুনীর ডেরায়। সেখানে কে এই কোবরা সুমন?


রঙ রেখায় ছবি আঁকি

ছােটরা ছবি আঁকবে। কিন্তু কীভাবে আঁকবে। কোনাে নিয়ম আছে কি? বড়রা যেভাবে ছবি আঁকে সে ভাবেতাে ছােটরা আঁকতে পারে না। এসব কথা সে সময় শিল্পীরা যেমন ভাবতেন আরাে কেউ কেউ ভেবেছেন। কচি-কাঁচার মেলার পরিচালক—রােকনুজ্জামান খান দাদাভাই বিষয়টা নিয়ে ভাবতে শুরু করলেন। শিল্পীদের সঙ্গে এবং শিশু বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অনেক আলােচনা করলেন। বড়দের ছবি আঁকার, গান শেখার, অভিনয় শেখার স্কুল, কলেজ ও নানা রকম ব্যবস্থা আছে। কিন্তু ছােটদের জন্য, শুধু শিশুকিশােরদের জন্য আলাদাভাবে সে রকম কিছু নেই। বিশেষ করে ছবি আঁকার জন্যে মােটেই | কিছু ছিল না, সেই ভাবনা থেকেই ছােটদের জন্য ছবি-আঁকা ও অন্যান্য শিল্পকর্ম করার। জন্যে স্কুল করলেন। নাম দিলেন শিল্পবিতান,। সময়টা ছিল ১৯৫৯ সাল।

 


Chhota Bheem in Indumati's Birthday - Vol. 31

It is beloved Princess Indumati's birthday and her friends Bheem, Chutki, Raju and Jaggu, togeather, think of a wonderful gift for her. Knowing that the Princess loves sweets, the kids plan and schemes to trick them in getting the honey and thereby impress the Princess himself. Does he manage to get the honey and is the princess impressed with the gift? Read on and find out!


Bichitra My Big Book Of Nursery Rhymes

Hampty Dumpty sat on wall, 

Humpty Dumpty had a great fall.

All the king's horse, and all the king's men.

Couldn't put Humpty, together once again.


শিশু-কিশোর ছড়া ও কবিতা

আমি এলাম

মুখের হাসি মনের খুশি

প্রাণের ভালবাসা 

এই নিয়ে এই নতুন দেশে।

বেঁধেছি এক বাসা। 

নতুন দেশে এলাম আমি

নতুন কারিগর 

ইচ্ছেমতী মনের রঙে

বেঁধেছি এই ঘর। 

সবুজ সবুজ শাখায় দেখি

নানা ফুলের মেলা 

দেখি সকাল সন্ধাবেলা

নানা রঙের খেলা।

যখন খুশি আমি ওদের।

খেলার সাথী হই, 

হাওয়ার গলা জড়িয়ে ধরে

হাওয়ার মতাে বই। 

আমি নতুন শিল্পী, আমি

আঁকি নতুন ছবি, দৈত্য-দানাে পরীর ডানা।

আঁকতে পারি সবই।

কোথাও নেই কেউ দেখে নি।


সেরা কিশোর কবিতা

আমার বাড়ি

আমার বাড়ি যাইও ভােমর,

বসতে দেব পিড়ে,

জলপান যে করতে দেব

শালি ধানের চিড়ে।

শালি ধানের চিড়ে দেব,

বিন্নি ধানের খই,

বাড়ির গাছের কবরী কলা,

গামছা-বাধা দই।

আম-কাঁঠালের বনের ধারে

শুয়াে আঁচল পাতি,

গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস

করব সারা রাতি।

চঁদমুখে তাের চাঁদের চুমাে

মাখিয়ে দেব সুখে,

তারা-ফুলের মালা গাঁথি,

জড়িয়ে দেব বুকে।

 


ছড়া সমগ্র

সৎ পাত্র

শুনতে পেলুম পােস্তা দিয়ে

তােমার নাকি মেয়ের বিয়ে? 

গঙ্গারামকে পাত্র গেলে?

জানতে চাও সে কেমন ছেলে? 

মন্দ নয়, সে পাত্র ভালাে

রং যদিও বেজায় কালাে; 

তার উপরে মুখের গঠন 

অনেকটা ঠিক পাচার মতন। 

বিদ্যে বুদ্ধি? বলছি মশাই

ধন্যি ছেলের অধ্যবসায়! 

উনিশটি বার ম্যাট্টিকে সে 

ঘায়েল হয়ে থামল শেষে। 

বিষয় আশয়? গরীব বেজায়-

 


এক পয়সার বাঁশী

এক পয়সার বাঁশী

কোন আকাশের তারার মানিক! 

কোন সে চাঁদের হাসি খানিক! 

কোন সাগরের ঝিলিক্ মিলিক!

মুক্তো-মানিক এলে ধরার ঘরে, ভাগ্য আজি সেই সে মেয়ের

মা হ’ল যে তােমার স্নেহের বরে; ভাগ্য আজি সেই সে ছেলের

বাপ হ’ল যে তােমায় আদর করে ।


আবোল তাবোল

খিচুড়ি

হস ছিল, সজারু ,(ব্যাকরণ মানি না), 

হয়ে গেল ‘হসজারু কেমনে তা জানি না।

বক কহে কচ্ছপে, “বাহবা কি ফুর্তি! 

অতি খাসা আমাদের বকচ্ছপ মূর্তি।” 

টিয়ামুখাে গিরগিটি মনে ভারি শঙ্কা 

পােকা ছেড়ে শেষে কিগাে খাবে কাচা লঙ্কা ?